-->

কালান্তিক মজুদ পদ্ধতি বলতে কি বুঝায় what is periodical inventory system

কালান্তিক মজুদ পদ্ধতি কি? what is periodical inventory system?

 

কালান্তিক মজুদ পদ্ধতি বলতে কি বুঝায় what is periodical inventory systemকালান্তিক মজুদ পদ্ধতি periodical inventory system: যে পদ্ধতিতে সমস্ত হিসাবকাল ধরে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিটি লেনদেনের বিস্তারিত হিসাব না রেখে, হিসাবকাল শেষে মজুদ পণ্য গণনা করা হয় এবং বিক্রয়যোগ্য দ্রব্যের ব্যয় থেকে নির্মিত সমাপনী মজুদ পণ্যের ব্যয় বাদ দিয়ে বিক্রিত পণ্যের ব্যয় নির্ণয় করা হয় তাকে কালান্তিক মজুদ পদ্ধতি বলে। এ পদ্ধতিতে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিটির লেনদেনের বিস্তারিত রেকর্ড সংরক্ষণ করা হয় না, ফলে যে কোন সময় হাতে কি পরিমান পণ্য আছে তা জানা যায় না এবং প্রতিটি বিক্রয় শেষে উক্ত বিক্রিত পণ্যের ব্যয়ও  জানা যায় না। এ পদ্ধতিতে অবিকৃত মজুদ পণ্যের পরিমাণ জানার জন্য হিসাবকাল শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। হিসাব কাল শেষে (কাল অন্তে) হাতেকলমে মজুদ পণ্য গণনা করে দেখা হয় এবং বিক্রয়যোগ্য দ্রব্যের ব্যয় থেকে নির্ণীত সমাপনী মজুদ পণ্যের ব্যয় বাদ দিয়ে বিক্রিত পণ্যের ব্যয় নির্ণয় করা হয়। এ কারণে পদ্ধতিটিকে কালান্তিক পদ্ধতি বলা হয়।    Weygandt, Kieso and kimmel এর মতে, যেহেতু এ পদ্ধতিতে খাতা কলমে মজুদ পণ্যের হিসাব রাখা হয় না তাই আলাদা করে চুরি বা নষ্ট পণ্যের পরিমাণ জানা যায় না। ফলে নষ্ট বা চুরি পণ্য সরাসরি বিকৃত পণ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায় । মজিদ পদ্ধতিতে বেশি লোকবলের প্রয়োজন পড়ে না, এটি কোন ব্যয়বহুল এবং এ পদ্ধতিতে হিসাব রাখা খুব সহজ। সাধারণত ছোটখাটো প্রতিষ্ঠানে কালান্তিক মজুদ পদ্ধতি ব্যবহার হতে দেখা যায়।
কালান্তিক মজুদ পদ্ধতি বলতে কি বুঝায় what is periodical inventory system





কালান্তিক মজুদ পদ্ধতি periodical inventory system: যে পদ্ধতিতে সমস্ত হিসাবকাল ধরে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিটি লেনদেনের বিস্তারিত হিসাব না রেখে, হিসাবকাল শেষে মজুদ পণ্য গণনা করা হয় এবং বিক্রয়যোগ্য দ্রব্যের ব্যয় থেকে নির্মিত সমাপনী মজুদ পণ্যের ব্যয় বাদ দিয়ে বিক্রিত পণ্যের ব্যয় নির্ণয় করা হয় তাকে কালান্তিক মজুদ পদ্ধতি বলে। এ পদ্ধতিতে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিটির লেনদেনের বিস্তারিত রেকর্ড সংরক্ষণ করা হয় না, ফলে যে কোন সময় হাতে কি পরিমান পণ্য আছে তা জানা যায় না এবং প্রতিটি বিক্রয় শেষে উক্ত বিক্রিত পণ্যের ব্যয়ও  জানা যায় না। এ পদ্ধতিতে অবিকৃত মজুদ পণ্যের পরিমাণ জানার জন্য হিসাবকাল শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। হিসাব কাল শেষে (কাল অন্তে) হাতেকলমে মজুদ পণ্য গণনা করে দেখা হয় এবং বিক্রয়যোগ্য দ্রব্যের ব্যয় থেকে নির্ণীত সমাপনী মজুদ পণ্যের ব্যয় বাদ দিয়ে বিক্রিত পণ্যের ব্যয় নির্ণয় করা হয়। এ কারণে পদ্ধতিটিকে কালান্তিক পদ্ধতি বলা হয়।

Weygandt, Kieso and kimmel এর মতে, যেহেতু এ পদ্ধতিতে খাতা কলমে মজুদ পণ্যের হিসাব রাখা হয় না তাই আলাদা করে চুরি বা নষ্ট পণ্যের পরিমাণ জানা যায় না। ফলে নষ্ট বা চুরি পণ্য সরাসরি বিকৃত পণ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায় । মজিদ পদ্ধতিতে বেশি লোকবলের প্রয়োজন পড়ে না, এটি কোন ব্যয়বহুল এবং এ পদ্ধতিতে হিসাব রাখা খুব সহজ। সাধারণত ছোটখাটো প্রতিষ্ঠানে কালান্তিক মজুদ পদ্ধতি ব্যবহার হতে দেখা যায়।