-->

অবিরত মজুদ পদ্ধতি বা নিত্য মজুদ পদ্ধতি বলতে কি বোঝায় what is perpetual inventory system?

কালান্তিক মজুদ পদ্ধতি কি


অবিরত মজুদ পদ্ধতি বা নিত্য মজুদ পদ্ধতি বলতে কি বোঝায় perpetual  inventory system:অবিরত মজুদ পদ্ধতি বা নিত্য মজুদ পদ্ধতি বলতে কি বোঝায় perpetual  inventory system:  যে পদ্ধতিতে সমস্ত হিসাবকাল ধরে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিটি লেনদেনের বিস্তারিত হিসাব সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রতিটি লেনদেন শেষে মজুদ পণ্যের পরিমাণ জানা যায় তাকে অবিরত মজুদ পদ্ধতি বা নিত্য মজুদ পদ্ধতির বলে। এ পদ্ধতিতে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিটি লেনদেনের বিস্তারিত রেকর্ড সংরক্ষণ করা হয়। ফলে যেকোনো সময় হাতে কি পরিমান পণ্য মজুদ আছে তা জানা যায় এবং প্রতিটি বিক্রয় শেষে উক্ত বিক্রিত পণ্যের ব্যয়ও জানা যায়। অর্থাৎ অবহিত মজুদ পদ্ধতিতে অবিকৃত মজুদ পণ্যের পরিমাণ জানার জন্য হিসাব কাজ শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় না। এমন কি এ পদ্ধতিতে হাতে-কলমে মজুদ পণ্য গণনা না করলেও চলে । অবশ্য অবহিত মজুদ পদ্ধতিতে অভিশাপ কাল শেষে হাতে কলমে মজুদ পণ্য করা হয় এবং প্রকৃত গণনার সাথে খাতা এবং কম্পিউটারের প্রকৃত মজুদ পণ্যের হিসাব মিলে লেখা হয় । ফলে মজুদ পণ্যের নষ্ট, চুরি বা ভুল রেকর্ড থাকলে উহা সহজে ধরা পরে। কোন ঘাটতি বা চুরি ধরা পড়লে উহা বিকৃত পণ্যের সাথে সমন্বয় করা হয়।     মজুদ পণ্য নিয়ন্ত্রণ এর ক্ষেত্রে অবহিত মজুদ পণ্য গণনা পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসেবে কাজ করে। এ পদ্ধতিতে বিন কার্ড  ও মজুদ বইতে রক্ষিত পণ্যের উদ্বৃত্ত মিল করে কোন পার্থক্য থাকলে ( পণ্যের ঘাটতি, ক্ষতি, অপচয় ইত্যাদি) তা জানা যায় এবং এর কারণ অনুসন্ধান করে প্রতিবিধানমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। বর্তমানে বারকোড, কম্পিউটার ও ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের মাধ্যমে অবহেলিত পদ্ধতিতে মজুদ পণ্যের হিসাব সংরক্ষণ করা হচ্ছে। সাধারণত বৃহদাকার প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতিতে মজুদ পণ্যের হিসাব সংরক্ষণ করতে দেখা যায়। এ পদ্ধতিতে মজুদ পণ্যের হিসাব সংরক্ষণের জন্য তুলনামূলকভাবে বেশি লোক বলের প্রয়োজন পড়ে। ছোটখাটো প্রতিষ্ঠানে পদ্ধতি টি ব্যয়বহুল বিধায় তেমন ব্যবহৃত হতে দেখা যায় না।


 




অবিরত মজুদ পদ্ধতি বা নিত্য মজুদ পদ্ধতি বলতে কি বোঝায় perpetual  inventory system:

যে পদ্ধতিতে সমস্ত হিসাবকাল ধরে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিটি লেনদেনের বিস্তারিত হিসাব সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রতিটি লেনদেন শেষে মজুদ পণ্যের পরিমাণ জানা যায় তাকে অবিরত মজুদ পদ্ধতি বা নিত্য মজুদ পদ্ধতির বলে। এ পদ্ধতিতে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিটি লেনদেনের বিস্তারিত রেকর্ড সংরক্ষণ করা হয়। ফলে যেকোনো সময় হাতে কি পরিমান পণ্য মজুদ আছে তা জানা যায় এবং প্রতিটি বিক্রয় শেষে উক্ত বিক্রিত পণ্যের ব্যয়ও জানা যায়। অর্থাৎ অবহিত মজুদ পদ্ধতিতে অবিকৃত মজুদ পণ্যের পরিমাণ জানার জন্য হিসাব কাজ শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় না। এমন কি এ পদ্ধতিতে হাতে-কলমে মজুদ পণ্য গণনা না করলেও চলে । অবশ্য অবহিত মজুদ পদ্ধতিতে অভিশাপ কাল শেষে হাতে কলমে মজুদ পণ্য করা হয় এবং প্রকৃত গণনার সাথে খাতা এবং কম্পিউটারের প্রকৃত মজুদ পণ্যের হিসাব মিলে লেখা হয় । ফলে মজুদ পণ্যের নষ্ট, চুরি বা ভুল রেকর্ড থাকলে উহা সহজে ধরা পরে। কোন ঘাটতি বা চুরি ধরা পড়লে উহা বিকৃত পণ্যের সাথে সমন্বয় করা হয়।


 মজুদ পণ্য নিয়ন্ত্রণ এর ক্ষেত্রে অবহিত মজুদ পণ্য গণনা পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসেবে কাজ করে। এ পদ্ধতিতে বিন কার্ড  ও মজুদ বইতে রক্ষিত পণ্যের উদ্বৃত্ত মিল করে কোন পার্থক্য থাকলে ( পণ্যের ঘাটতি, ক্ষতি, অপচয় ইত্যাদি) তা জানা যায় এবং এর কারণ অনুসন্ধান করে প্রতিবিধানমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। বর্তমানে বারকোড, কম্পিউটার ও ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের মাধ্যমে অবহেলিত পদ্ধতিতে মজুদ পণ্যের হিসাব সংরক্ষণ করা হচ্ছে। সাধারণত বৃহদাকার প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতিতে মজুদ পণ্যের হিসাব সংরক্ষণ করতে দেখা যায়। এ পদ্ধতিতে মজুদ পণ্যের হিসাব সংরক্ষণের জন্য তুলনামূলকভাবে বেশি লোক বলের প্রয়োজন পড়ে। ছোটখাটো প্রতিষ্ঠানে পদ্ধতি টি ব্যয়বহুল বিধায় তেমন ব্যবহৃত হতে দেখা যায় না।