-->

হিসাব বিজ্ঞান সাধারণ জাবেদা পার্ট ০৩। দায় সংক্রন্ত সাধারন জাবেদা। day songkranto sadharon jabeda part 3 accounting journal entries accountingmama

হিসাব বিজ্ঞান সাধারণ জাবেদা করার নিয়ম, জাবেদা শেখার সহজ উপায়, accounting journal entries class, জাবেদার উদাহরণ


হিসাব বিজ্ঞান সাধারণ জাবেদা করার নিয়ম, নবম দশম শ্রেণির হিসাব বিজ্ঞান জাবেদা জাবেদা শেখার সহজ উপায়, accounting journal entries class, accounting mama


মাদের আজকের পর্ব সাধারণ জাবেদা পার্ট ০৩। পূর্বের পর্ব গুলো দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

 

  আজকে আমরা দায় সংক্রান্ত সাধারণ জাবেদা সম্পর্কে আলোচনা করব। আজকে যেই সূত্র নিয়ে কথা বলব সেটি হচ্ছে দায় হ্রাস পেলে ডেবিট আর দায় বৃদ্ধি পেলে ক্রেডিট। এখুন প্রশ্ন হচ্ছে দায় কিভাবে বৃদ্ধি পায় আর দায় কিভাবে হ্রাস পায়?? তার আগে আমাদের জানতে হবে দায় কোন গুলো। 

আসুন আমরা এখুন দায় চিনে নেই।

দায় সমূহঃ পাওনাদার, প্রদেয় হিসাব, প্রদেয় নোট, প্রদেয় বিল, ব্যাংক জমাতিরিক্ত, ঋণ, ব্যাংক ঋণ, সকল প্রকায় বকেয়া ব্যয় সমূহঃ বয়েকা ভাড়া, বকেয়া বেতন, বকেয়া মজুরি, বকেয়া মনিহারি, বকেয়া ঋণের সুদ, বকেয়া অফিস খরচ, অনুপার্জিত সেবা আয়, অগ্রিম আয়, প্রদেয় কমিশন, প্রদেয় বেতন, প্রদেয় ব্যাংক ঋণের সুদ, বন্ধকি ঋণের বকেয়া সুদ, অগ্রিম শিক্ষানবিশ সেলামি, ব্যবসায়িক ঋণ, বন্ধকি ঋণ ইত্যাদি।  

বিভিন্ন ধরনের দায় সমুহের তালিকা দেখতেঃ এখানে ক্লিক করুন

দায় তো চিনলাম কিন্তু এই দায় গুলো কিভাবে বৃদ্ধি পায় আর হ্রাস পায়???? যখুন দায় সংঘটিত হয় তখুন ই দায় বৃদ্ধি পায় , আর যখুন দায় পরিশোধ হয়ে যায় তখুন দায় হ্রাস পায়। 

আসুন ছোট একটি গল্পের মাধ্যমে বিষয় টা বুঝার চেষ্টা করি। ধরুন আপনি একজন ব্যবসায়ি । আপনি RFL এর পণ্য বিক্রয় করেন। তার মানে আপনি একজন খুচরা ব্যবসায়ি। আপনি  RFL কোম্পানির নিকট থেকে ১০,০০০ টাকার পণ্য ক্রয় করলেন বাকিতে । তাহলে বাকিতে ক্রয় করায় আপনি এই কোম্পানির নিকট দায় বদ্ধ থেকে গেলেন। মানে আপনার দায় বেড়ে গেলো। আর এই ধরনের দায় কে বলা হয় পাওনাদার বা প্রদেয় বা প্রদেয় হিসাব। অর্থাৎ বাকিতে ক্রয় করায় আপনার পাওনাদার বা প্রদেয় নামক দায় বৃদ্ধি পেলো। 


এখুন আসুন জেনে নেই দায় হ্রাস পায় কিভাবা। আমরা বলেছি দায় পরিশোধ করা হলেই দায় হ্রাস পায়। RFL কোম্পয়ানির নিকট বাকিতে ক্রয় করলে দায় বৃদ্ধি পায় , অন্য দিকে কিছু দিন পরে এই টাকা পরিশোধ করে দিবে তখন দায় হ্রাস পায়।  

দেখুন আপনি যখুন ১০,০০০ টাকার পণ্য বাকিতে ক্রয় করলেন তখুন আপনার দায় বৃদ্ধি পেয়ে মোট দায় হয়ে যায় ১০,০০০ টাকা এখুন আপনি কিছু দিন পরে সেই ১০,০০০ টাকা পরিশোধ করে দিলে আপনার দায় আর কতো টাকা থাকে?? শূন্য টাকা  তাইনা? তাহলে কি দায় হ্রাস পাচ্ছেনা? আগে ছিল ১০,০০০ টাকা দায় এখুন হয়ে গেছে শূন্য টাকা। 

এভাবেই দায় বৃদ্ধি পায় আর দায় হ্রাস পায় । তবুও আমরা আরেক টু বুঝার চেষ্টা করি। 

ব্যাংক জমাতিরিক্ত কি? ধরুন আপনার ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের নামে একটি ব্যাংক একাউন্ট আছে সেখানে ১৫,০০০ টাকা জমা আছে। আপনার এই মূহুত্যে ২০,০০০ টাকা প্রয়োজন , আপনি ব্যাংক থেকে ২০,০০০ টাকা উত্তোলন করলেন , এইযে আপনি ৫,০০০ টাকা অতিরীক্ত উত্তোলন করলেন এটাকেই বলে ব্যাংক জমাতিরিক্ত। অর্থাৎ বাংকে যা জমা আছে তার থেকে বেশি উত্তোলন করা কে ব্যাংক জমাতিরিক্ত বলে। ব্যাংক থেকে এই ৫,০০০ টাকা অতিরিক্ত উত্তোলন করায় ব্যাংক জমাতিরিক্ত নামক দায় বৃদ্ধি পায়।  


কোন ব্যাক্তির নিকট থেকে ঋণ গ্রহন করলে  ঋণ নামক দায় বৃদ্ধি পায় । আর ঋণ পরিশোধ করে দিলে ঋণ নামক দায় হ্রাস পায় । কর্মচারী দের বেতন বকেয়া থাকলে বকেয়া বেতন নামক দায় বৃদ্ধি পায়। আসা করি বুঝতে পেরেছেন। 

_______________________________
এবার আসুন প্যাক্টিকাল ভাবে বিষয় গুলো বুঝার চেষ্টা করি। যেমনঃ

০১) সুমন লিমিটেড এর কাছে থেকে ধারে পণ্য ক্রয় করা হলো ১০,০০০ টাকার। 
  
এখন খেয়াল করে দেখুন লেখা আছে ধারে পণ্য ক্রয় করা হয় ১০,০০০ টাকায়, সেটা কার নিকট থেকে ক্রয় করা হয়? সুমন লিমিটেড এর নিকট থেকে । তাহলে একটি কথা মনে রাখবেন লেনদেনের মধ্যে ধারে বা বাকিতে ক্রয় কথা টি উল্লেখ থাকলে আমাদের  দায় বৃদ্ধি পাবে। কি নামক দায় বৃদ্ধি পাবে?? পাওনাদার বা প্রদেয় নামক দায় বৃদ্ধি পাবে । 

তার মানে এই জাবেদা তে আমাদের পাওনাদার সুমন লিমিটেড নামক দায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাহলে সূত্র অনুযায়ি দায় বৃদ্ধি পেলে ক্রেডিট হবে। অর্থাৎ পাওনাদায় হিসাব ক্রেডিট অথবা প্রদেয় হিসাব ক্রেডিট। 

এখুন আমরা ডেবিট দিব কাকে?? উপরে লেনদেন টি আমরা আবারও পড়ি , সেখানে লেখাছিল সুমন লিমিটেড এর কাছে থেকে ধারে পণ্য ক্রয় করা হলো ১০,০০০ টাকার। আমরা এর আগের জাবেদার ০২ নাম্বার পর্বের বলেছিলাম ব্যয় বৃদ্ধি পেলে ডেবিট হয় আর ব্যয় হ্রাস পেলে ক্রেডিট হয় । আমাদের এই লেনদেন টিতে পণ্য ক্রয় করায় 
ক্রয় হিসাব নামক ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে । তাহলে সূত্র অনুযায়ি ক্রয় হিসাব ডেবিট 


তার মানে {(০১) সুমন লিমিটেড এর কাছে থেকে ধারে পণ্য ক্রয় করা হলো ১০,০০০ টাকার} আমাদের দেই লেনদের টির জাবেদা হবে।

ক্রয় হিসাব ডেবিট = ১০,০০০ টাকা 
পাওনাদার হিসব ক্রেডিট = ১০,০০০ টাকা
সুমন লিমিটেড এর কাছে থেকে ধারে পণ্য ক্রয় করা হলো ১০,০০০ টাকার।     এখান খেয়াল করে দেখুন লেখা আছে ধারে পণ্য ক্রয় করা হয় ১০,০০০ টাকাইয়  , সেটা কার নিকট থেকে ক্রয় করা হয়? সুমন লিমিটেড এর নিকট থেকে । তাহলে একটি কথা মনে রাখবেন লেনদেনের মধ্যে ধারে বা বাকিতে ক্রয় কথা টি উল্লেখ থাকলে আমাদের  দায় বৃদ্ধি পাবে। কি নামক দায় বৃদ্ধি পাবে?? পাওনাদার বা প্রদেয় নামক দায় বৃদ্ধি পাবে ।   তার মানে এই জাবেদা তে আমাদের পাওনাদার সুমন লিমিটেড নামক দায় বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাহলে সূত্র অনুযায়ি দায় বৃদ্ধি পেলে ক্রেডিট হবে। অর্থাৎ পাওনাদায় হিসাব ক্রেডিট অথবা প্রদেয় হিসাব ক্রেডিট।   এখুন আমরা ডেবিট দিব কাকে?? উপরে লেনদেন টি আমরা আবারও পড়ি , সেখানে লেখাছিল সুমন লিমিটেড এর কাছে থেকে ধারে পণ্য ক্রয় করা হলো ১০,০০০ টাকার। আমরা এর আগের ০২ নাম্বার পর্বের বলেছিলাম ব্যয় বৃদ্ধি পেলে ডেবিট হয় আর ব্যয় হ্রাস পেলে ক্রেডিট হয় । আমাদের এই লেনদেন টিতে পণ্য ক্রয় করায়  ক্রয় হিসাব নামক ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে । তাহলে সূত্র অনুযায়ি ক্রয় হিসাব ডেবিট    তার মানে {(০১) সুমন লিমিটেড এর কাছে থেকে ধারে পণ্য ক্রয় করা হলো ১০,০০০ টাকার} আমাদের দেই লেনদের টির জাবেদা হবে।  ক্রয় হিসাব ডেবিট = ১০,০০০ টাকা  পাওনাদার হিসব ক্রেডিট = ১০,০০০ টাকা হিসাব বিজ্ঞান সাধারণ জাবেদা করার নিয়ম, নবম দশম শ্রেণির হিসাব বিজ্ঞান জাবেদা জাবেদা শেখার সহজ উপায়, accounting journal entries class, accounting mama


--------------------------------------
০২) সুমন লিমিটেড কে টাকা পরিশোধ করা হলো নগদ ১০,০০০ টাকা । 

 এখানে দেখুন যখুন ধারে ক্রয় করা হয় তখুন পাওনাদার নামক দায় বৃদ্ধি পায়  , আর পাওনাদারের দায় পরিশোধ করা হলে পাওনাদার নামক দায় হ্রাস পায়। আর সূত্র অনুযায়ি দায় হ্রাস পেলে ডেবিট হয় । সেই হিসেবে এই লেনদেনের  পাওনাদার নামক দায় হ্রাস পাওয়াতে , পাওনাদার হিসাব ডেবিট হবে। 

এখুন ক্রেডিট দিব কাকে? উপরে লেনদেন টি আবারও পড়ি দেয়া আছে  সুমন লিমিটেড কে টাকা পরিশোধ করা হলো নগদ ১০,০০০ টাকা । আমরা জাবেদার ০১ নাম্বার পার্টের সূত্রে বলেছিলাম সম্পদ বৃদ্ধি পেলে ডেবিট আর সম্পদ হ্রাস পেলে ক্রেটিড। এই  লেনদেনে নগদ টাকা পাওনাদার কে পরিশোধ করায় নগদ সম্পদ হ্রাস পাচ্ছে। তো সুত্র অনুযায়ি নগদান হিসাব ক্রেডিট হবে।


তাহলে এই লেনদেন টির জাবেদা হবে,
  ০২) সুমন লিমিটেড কে টাকা পরিশোধ করা হলো নগদ ১০,০০০ টাকা । 

পাওনাদার হিসাব ডেবিট=১০,০০০ টাকা
নগদান হিসাব ক্রেডিট=১০,০০০ টাকা

হিসাব বিজ্ঞান সাধারণ জাবেদা করার নিয়ম, নবম দশম শ্রেণির হিসাব বিজ্ঞান জাবেদা জাবেদা শেখার সহজ উপায়, accounting journal entries class, accounting mama


--------------------------------------------

০৩) ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া হলো ১০,০০০ টাকা। 

এখানে ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া হয় কিন্তু নগদ কথা টি উল্লেখ না থাকলেও আমাদার বুঝে নিতে হবে এই লেনদেন টি নগদে হয়েছে। 
অর্থাৎ ব্যাংক থেকে নগদ ১০,০০০ টাকা ঋণ নেয়াতে নগদ নামক সম্পদ বৃদ্ধি পায় অপর দিকে ঋণ গ্রহন করায় ঋণ নামক দায় বৃদ্ধি পায়।
তাহলে এর জাবেদা হবে ,

নগদান হিসাব ডেবিট =১০,০০০ টাকা
ব্যাংক ঋণ হিসাব ক্রেডিট=১০,০০০ টাকা

ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া হলো ১০,০০০ টাকা।   এখানে ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া হয় কিন্তু নগদ কথা টি উল্লেখ না থাকলেও আমাদার বুঝে নিতে হবে এই লেনদেন টি নগদে হয়েছে।  অর্থাৎ ব্যাংক থেকে নগদ ১০,০০০ টাকা ঋণ নেয়াতে নগদ নামক সম্পদ বৃদ্ধি পায় অপর দিকে ঋণ গ্রহন করায় ঋণ নামক দায় বৃদ্ধি পায়। তাহলে এর জাবেদা হবে ,  নগদান হিসাব ডেবিট =১০,০০০ টাকা ব্যাংক ঋণ হিসাব ক্রেডিট=১০,০০০ টাকাaccountingmamaহিসাববিজ্ঞান জাবেদা , জাবেদা শেখার সহজ উপায়, সাধারণ জাবেদা, jabeda accounting bangla,  হিসাব বিজ্ঞান জাবেদা নিয়ম ,  জাবেদা সূত্র

--------------------------------------
০৪) ঋণ পত্র মাধ্যমে পণ্য ক্রয় ৫,০০০ টাকা।

এখানে ঋণ পত্র একটি দায় , অপর দিকে পণ্য ক্রয় একটি ব্যয় । ঋণ পত্র মাধ্যমে পণ্য ক্রয় করায় ঋণ পত্র নামক দায় বৃদ্ধি পায় আর পণ্য ক্রয় করায় ক্রয় নামক ব্যয় বৃদ্ধি পায় । 
তাই এর জাবেদা হবে।

ক্রয় হিসাব ডেবিট=৫,০০০ টাকা
ঋণ পত্র হিসাব ক্রেডিট=৫,০০০ টাকা 


ঋণ পত্র মাধ্যমে পণ্য ক্রয় ৫,০০০ টাকা।  এখানে ঋণ পত্র একটি দায় , অপর দিকে পণ্য ক্রয় একটি ব্যয় । ঋণ পত্র মাধ্যমে পণ্য ক্রয় করায় ঋণ পত্র নামক দায় বৃদ্ধি পায় আর পণ্য ক্রয় করায় ক্রয় নামক ব্যয় বৃদ্ধি পায় ।  তাই এর জাবেদা হবে।  ক্রয় হিসাব ডেবিট=৫,০০০ টাকা ঋণ পত্র হিসাব ক্রেডিট=৫,০০০ টাকা  হিসাব বিজ্ঞান সাধারণ জাবেদা করার নিয়ম, নবম দশম শ্রেণির হিসাব বিজ্ঞান জাবেদা জাবেদা শেখার সহজ উপায়, accounting journal entries class, accounting mama


------------------------------------------

___________________________



আরও পড়ুন>


সম্পদ সংক্রান্ত সাধারণ জাবেদা

ব্যয় সংক্রান্ত সাধারণ জাবেদা

দায় সংক্রান্ত সাধারণ জাবেদা

আয় সংক্রান্ত সাধারণ জাবেদা

মালিকানা স্বত্ব সংক্রান্ত সাধারণ জাবেদা

মুনাফাবিহীন পণ্য বিক্রয় জাবেদা। 

মালিক কর্তৃক পণ্য উত্তোলন জাবেদা । 

 আগুনে বিনষ্ট পণ্য সাধারন জাবেদা ডেবিট ক্রেডিট নির্ণয়। 

বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে পন্য উত্তোলন জাবেদা


____________________



আরও কিছু জাবেদা দেখুন>>>>>>>



০৫) অগ্রিম শিক্ষানবিশ সেলামি পাওয়া গেলো নগদ ৭,০০০ টাকা।  এখানে অগ্রিম শিক্ষানবিশ সেলামিন পাওয়ায় অগ্রিম শিক্ষানবিস সেলামি নামক দায় বৃদ্ধি পায়। অপর দিকে অগ্রিম শিক্ষানবিশ সেলামির টাকা নগদে পাওয়ায় নগদ নামক সম্পদ বৃদ্ধি পায় তাই এর জাবেদা হবে  ০৫)  নগদা হিসাব ডেবিট=৭,০০০ টাকা      অগ্রিম শিক্ষানবিশ সেলামি হিসাব ক্রেডিট=৭,০০০ টাকা   ০৬) ধারে পণ্য ক্রয় ৫,০০০ টাকা।   এখানে ধারে পণ্য ক্রয় করায় পাওনাদায় বা প্রদেয় নামক দায় বৃদ্ধি পায় , অপর দিকে ক্রয় নামক ব্যয় বৃদ্ধি পায়। তাই এর জাবেদা হবে  ক্রয় হিসাব ডেবিট=৫,০০০ টাকা পাওনাদার হিসাব ক্রেডিট= ৫,০০০ টাকা   একটি কথা মনে রাখবেন  পাওনাদার , প্রদেয় হিসাব, প্রদেয় নোট, প্রদেয় বিল এই তিন টা একই জিনিস।    ০৭) প্রদেয় হিসাবের মাধ্যমে পণ্য ক্রয় ৩,০০০ টাকা।  প্রদেয় বিলের মাধ্যমে পণ্য ক্রয় করায় প্রদেয় বিল নামক দায় বৃদ্ধি পায়। আর পণ্য ক্রয় করা ক্রয় নামক ব্যয় বৃদ্ধি পায়। তাই সূত্র অনুযায়ি এর জাবেদা হবে  ক্রয় হিসাব ডেবিট=৩,০০০ টাকা প্রদেয় হিসাব ক্রেডিট=৩,০০০ টাকা  ০৮) মাসুদের নিকট হতে পণ্য ক্রয় ১৫,০০০ টাকা।  এখানে খেয়াল করে দেখুন এই লেনদেন টির মধ্যে নগদ , ব্যাংক ধারে বাকিতে কথা উল্লেখ নাই, শুধু মাসুদের নাম উল্লেখ আছে। তো আপনাদের মনে রাখতে হবে যে কোনো লেনদেনের মধ্যে কারুর নাম উল্লেখ থাকলে আর নগদ বা ব্যাংক কথা টি উল্লেখ না থাকলে ধরে নিতে হবে যে ঐ লেনদেন টি বাকিতে বা ধারে হয়েছিল। যেহেতু উপরে এই ০৮ নাম্বার লেনদেনের মধ্যে নাম উল্লেখ  আছে আর নগদ বা ব্যাংক কথা টি উল্লেখ  নাই তাই এই লেনদেন টি বাকিতে বা ধারে সংঘটিত হয়।  তাহলে মাসুদের নিকট থেকে ধারে পণ্য ক্রয় করায়  পাওনাদার মাসুদ নামক দায় বৃদ্ধি পায় আর পণ্য ক্রয় করায় ক্রয় নামক ব্যয় বৃদ্ধি পায় , তাই  এর জাবেদা হবে>>>   ০৮)ক্রয় হিসাব ডেবিট=১৫,০০০ টাকা পাওনাদার (মাসুদ হিসাব) ক্রেডিট= ১৫,০০০ টাকা   এর রকম আরও কিছু জাবেদা>>>>accountingmama হিসাববিজ্ঞান জাবেদা , জাবেদা শেখার সহজ উপায়, সাধারণ জাবেদা, jabeda accounting bangla,  হিসাব বিজ্ঞান জাবেদা নিয়ম ,  জাবেদা সূত্র


০৫) অগ্রিম শিক্ষানবিশ সেলামি পাওয়া গেলো নগদ ৭,০০০ টাকা।

এখানে অগ্রিম শিক্ষানবিশ সেলামিন পাওয়ায় অগ্রিম শিক্ষানবিস সেলামি নামক দায় বৃদ্ধি পায়। অপর দিকে অগ্রিম শিক্ষানবিশ সেলামির টাকা নগদে পাওয়ায় নগদ নামক সম্পদ বৃদ্ধি পায় তাই এর জাবেদা হবে

০৫)  নগদা হিসাব ডেবিট=৭,০০০ টাকা
     অগ্রিম শিক্ষানবিশ সেলামি হিসাব ক্রেডিট=৭,০০০ টাকা
------------------------------------



০৬) ধারে পণ্য ক্রয় ৫,০০০ টাকা।
 
এখানে ধারে পণ্য ক্রয় করায় পাওনাদায় বা প্রদেয় নামক দায় বৃদ্ধি পায় , অপর দিকে ক্রয় নামক ব্যয় বৃদ্ধি পায়।
তাই এর জাবেদা হবে

ক্রয় হিসাব ডেবিট=৫,০০০ টাকা
পাওনাদার হিসাব ক্রেডিট= ৫,০০০ টাকা 

একটি কথা মনে রাখবেন  পাওনাদার , প্রদেয় হিসাব, প্রদেয় নোট, প্রদেয় বিল এই তিন টা একই জিনিস। 

--------------------------

০৭) প্রদেয় হিসাবের মাধ্যমে পণ্য ক্রয় ৩,০০০ টাকা।

প্রদেয় বিলের মাধ্যমে পণ্য ক্রয় করায় প্রদেয় বিল নামক দায় বৃদ্ধি পায়। আর পণ্য ক্রয় করা ক্রয় নামক ব্যয় বৃদ্ধি পায়। তাই সূত্র অনুযায়ি এর জাবেদা হবে

ক্রয় হিসাব ডেবিট=৩,০০০ টাকা
প্রদেয় হিসাব ক্রেডিট=৩,০০০ টাকা
-----------------------------


০৮) মাসুদের নিকট হতে পণ্য ক্রয় ১৫,০০০ টাকা।

এখানে খেয়াল করে দেখুন এই লেনদেন টির মধ্যে নগদ , ব্যাংক ধারে বাকিতে কথা উল্লেখ নাই, শুধু মাসুদের নাম উল্লেখ আছে। তো আপনাদের মনে রাখতে হবে যে কোনো লেনদেনের মধ্যে কারুর নাম উল্লেখ থাকলে আর নগদ বা ব্যাংক কথা টি উল্লেখ না থাকলে ধরে নিতে হবে যে ঐ লেনদেন টি বাকিতে বা ধারে হয়েছিল।
যেহেতু উপরে এই ০৮ নাম্বার লেনদেনের মধ্যে নাম উল্লেখ  আছে আর নগদ বা ব্যাংক কথা টি উল্লেখ  নাই তাই এই লেনদেন টি বাকিতে বা ধারে সংঘটিত হয়।

তাহলে মাসুদের নিকট থেকে ধারে পণ্য ক্রয় করায়  পাওনাদার মাসুদ নামক দায় বৃদ্ধি পায় আর পণ্য ক্রয় করায় ক্রয় নামক ব্যয় বৃদ্ধি পায় , তাই  এর জাবেদা হবে>>>


০৮)ক্রয় হিসাব ডেবিট=১৫,০০০ টাকা
পাওনাদার (মাসুদ হিসাব) ক্রেডিট= ১৫,০০০ টাকা

--------------------------------

এর রকম আরও কিছু জাবেদা>>>>
accountingmama হিসাববিজ্ঞান জাবেদা , জাবেদা শেখার সহজ উপায়, সাধারণ জাবেদা, jabeda accounting bangla,  হিসাব বিজ্ঞান জাবেদা নিয়ম ,  জাবেদা সূত্র


০৯) ক্রয় ফেরত দেয়া হলো ৫,০০০ টাকা।

এখানে ০৯ বলা আছে ক্রয় ফেরত দেয়া হলো , আপনরা কি জানেন ক্রয় ফেরত কখুন হয়?? যখুন বাকিতে কোনো কিছু ক্রয় করা হয় এবং ক্রয় কৃত পণ্য নষ্ট থাকা সাপেক্ষে ক্রয় ফেরত দেয়া হয়। অর্থাৎ আপনি বাকিতে কোন কিছু ক্রয় করেছিলেন এখুন আপনার ক্রয় কৃত পণ্য আপনার প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যেয়ে দেখলেন আপনার ক্রয় করা কিছু পণ্য নষ্ট । তো আপনি অবশ্যই সেই নষ্ট পণ্য ফেরত দিবেন।


এখুন খেয়াল করে এখুন আপনি যখুন পণ্য ক্রয় কর করতেছেন তখুন ক্রয় নামক ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে , কিন্তু এখুন আপনি যেহেতু ক্রয় ফেরত দিচ্ছেন তাই আপনার ক্রয় নামক ব্যয় হ্রাস পাবে। আমরা দুই নাম্বার জাবেদা পার্টের সূত্রে বলেছিলাম ব্যয় বৃদ্ধি পেলে ডেবিট আর ব্যয় হ্রাস পেলে ক্রেডিট। 

তো এখানে ক্রয় ফেরত নামক ব্যয় হ্রাস পাচ্ছে তাই ক্রয় ফেরত হিসাব ক্রেডিট হবে। আর ডেবিট দিব কাকে?? পাওনাদার কে ডেবিট দিব।

কিন্তু কেনো পাওনাদার কে ডেবিট ? দেখুন যখুন বাকিতে পণ্য ক্রয় করা হয় তখুন ক্রয় নামক ব্যয় বৃদ্ধি পায় আর পাওনাদার নামক দায় বৃদ্ধি পায়। তখুন এর জাবেদা হয়  ক্রয় হিসাব ডেবিট আর পাওনাদার হিসাব ক্রেডিট। 
 
অপর দিকে  লেনদেন টিতে পাওনাদার কে তার পণ্য ফেরত দেয়া হচ্ছে তাই পাওনাদার নামক দায় হ্রাস পাবে , আর আমরা সূত্রে বলেছিলাম দায় হ্রাস পেলে ডেবিট


 তাই ০৯ নাম্বারের জাবেদা হবে

পাওনাদার হিসাব ডেবিট= ৫,০০০ টাকা
ক্রয় ফেরত হিসাব ডেবিট=৫,০০০ টাকা 

-------------------------


এর পরে 
 ১০) বন্ধকি ঋণ গ্রহন ১০,০০০ টাকা।

 এই লেনদেন টিতে নগদ বা ব্যাংক কথা উল্লেখ নাই , তার মানে এই ঋণের টাকা নগদে গ্রহন করা হয়। 

নগদ টাকায় বন্ধকি ঋণ গ্রহন করায় প্রতিষ্ঠানে নগদ সম্পদ বৃদ্ধি পায় আর বন্ধকি ঋণ গ্রহন করায় বন্ধকি ঋণ নামক দায় বৃদ্ধি পায়।

তাই এর জাবেদা হবে

১০) নগদান হিসাব ডেবিট= ১০,০০০ টাকা
বন্ধকি ঋণ হিসাব ক্রেডিট=১০,০০০ টাকা 

---------------------------


১১) চেকের মাধ্যমে বন্ধকি ঋণ পরিশোধ ১০,০০০ টাকা।

চেকের মাধ্যমে বন্ধকি ঋণ পরিশোধ করায় ব্যাংক থেকে টাকা চলে যায় তার মানে ব্যাংক সম্পদ হ্রাস পায়। অন্য দিকে বন্ধকি ঋণ নামক দায় হ্রাস পায়। তাই এর জাবেদা হবেঃ

১১) বন্ধকি ঋণ হিসাব ডেবিট=১০,০০০ টাকা
ব্যাংক হিসাব ক্রেডিট= ১০,০০০ টাকা

-----------------------------


১২) মাসুম কে নগদ ৭,০০০ টাকা ও ৩,০০০ টাকা চেকে পরিশোধ করা হলো।

এখানে মাসুম কে টাকা পরিশোধ করা হচ্ছে তার মানে আমাদের থেকে মাসুম টাকা পাবে অর্থাৎ মাসুম হচ্ছে পাওনাদার নামক দায়। দায় পরিশোধ করলে দায় হ্রাস পায় । অন্য দিকে নগদ টাকা ও চেকের মাধ্যমে দায় পরিশোধ করায় নগদ সম্পদ ও ব্যাংক সম্পদ হ্রাস পায় তাই এর জাবেদা হবে>>

১২)
পাওনাদার হিসাব ডেবিট= ১০,০০০ টাকা
নগদাব হিসাব ক্রেডিট=৭,০০০ টাকা
ব্যাংক হিসাব ক্রেডিট= ৩,০০০ টাকা



তো শিক্ষার্থী বন্ধুরা ব্লগ পোস্ট পড়ে সব ক্লিয়ার ভাবে বুঝতে না পারলে আমাদের ভিডিও টিউটরিয়াল দেখতে পারেন youtube থেকে।  

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলেন নাম accounting mama.

যারা হিসাব বিজ্ঞানে অত্যাধিক দুর্বল এবং খুব সহজেই হিসাব বিজ্ঞান বুঝতে শিখতে চান তারা আমাদের এই একাউন্টিং মামা চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।আমাদের ফেইসবুক পেইজ ফলো করুণ, ও ফেইসবুক গ্রুপে জয়েন হন।







আজকের মতো এখানেই বিদায়